কূটকচালি ।। সনাতন বিশ্বাস উবাচ
রঙের হায়া,ধর্ম ও শরম অঘ্রাণের তাপমাত্রা যেন পেট্রোলের দামের ন্যায় হইয়াছিল। পেট্রোলের দাম যেমন একদিন ২৭ পয়সা কমিয়া দুই দিন পর ৩২ পয়সা বাড়িয়া যায়, তেমনি আমরা জুবুথুবু শীতের প্রত্যাশায় বসিয়া থাকিলেও, ব্যারোমিটারের পারদ হু হু করিয়া নিম্নগামী হইবার কোনো লক্ষণ দেখা যাইতেছিল না। একটি দশ ফুট দৈর্ঘ্যের তৈলাক্ত বাঁশে, একটি বাঁদরকে উঠিতে বলায় সে ৩ ফুট উঠিয়া, এক ফুট নামিলে সে কয় ফুট উঠিবে,-- এবম্প্রকারের জটিল অঙ্কটি স্মরণে আসিল। অবশেষে আকাশের দেবতা প্রসন্ন হইয়াছেন। বিগত কয়েকদিন যাবৎ , বাতাসে হিমের পরশ অনুভূত হইতেছে। কিন্তু তাহা কতদিন স্থায়ী হইবে, তাহা একদার আয়ারাম গয়ারাম সরকারের ন্যায় বলিয়াই শঙ্কা হইতেছে। পাঠক, স্মরণ করুন, চৌধুরী চরণ সিং-ও প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে আরোহণ করিয়া, স্বল্প কালের মধ্যে অবরোহন করিতে হইয়াছিল। যাহা হউক, আদার ব্যাপারী হইয়া, রাজনীতির জাহাজের গল্প ফাঁদিতে বসিলে, তাহা অপরে শুনিবে কেন ? আমারা সাধারণ লোক ; প্রতিবেশীর সাতে-পাঁচেও থাকিনা । অতএব রাজনীতির মহাজনদের লইয়া, আমরা কী করিব ! তাঁহারা ভোটের যন্ত্র হইতে নির্গত হইয়া দিল্...