প্রথমে ভেবেছিলাম, শিরোনামটি দেব, ‘অথ বাত ঘটিত বাত-চিৎ’ ; পরে ভেবে দেখলাম, রচনার শিরে স্থিত নামটিই উপযুক্ত হবে। কারণটা পরে বলছি। আগে এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বলে নেই। তবে, সকল রোমহর্ষক ঘটনাই, যার জীবনে ঘটে, তার জন্য হর্ষবর্ধক নাও হতে পারে। অন্ততঃ এই ক্ষেত্রে তো মোটেও নয়। সক্কাল সক্কাল মোবাইলে, ভবেশ-গিন্নীর সন্ত্রস্ত কণ্ঠের আহ্বানে, শশব্যাস্ত হয়ে ছুটলুম ভবেশ বাবুর গৃহে। গিয়ে যা দেখলাম, তাতে আমার চোখ তো কপাল টপকে, তালুতে উঠে গেল। আমি উৎকন্ঠিত কণ্ঠে ভবেশ বাবুকে জিজ্ঞেস করলাম,’আপনার নিজের শরীরের কোথাও কি জং ধরা লোহায় কেটেছিল ? ভবেশ বাবু ক্ষীণ কণ্ঠে জবাব দিলেন, ‘না’। বাঁশে কেটেছে ? কাঁচে কেটেছে ? পাক্কা গোয়েন্দার মত যত প্রশ্নই করি, সব কিছুরই একই উত্তর তিনি,-- গোয়েন্দা গল্পের পাকা অপরাধীর মত দিচ্ছেন, – ‘না’। তাঁকে প্রথম দর্শনে, আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছিল, তিনি হয়তো ধনুষ্টংকার রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কী রকম যেন অষ্টাবক্র মুনির চেহারা (অষ্টাবক্র মুনিকে আমি দেখিনি। শুধু বিবরণ পড়েছি।) পরিগ্রহ করতে চলেছেন। ভবেশ...
Comments
Post a Comment